শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজার ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার উদ্যোগে ইউ এন ও জরাজীর্ণ অবকাঠামোতেই চলছে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে দুদকের প্রথম মামলা কর্ণফুলী টানেল বহির্ভূত খাতে ৫৮৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ তাফাল বাড়ি স্কুল এন্ড কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সাঘাটায় মসজিদের পাশে করাত কল, নিয়মবহির্ভূত লাইসেন্স বিভাগীয় তদন্ত টিম সাঘাটায় বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ রাজধানীর কদমতলী এলাকা হতে ০২ টি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ০২ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০। মায়ের পরকীয়ার বলী কিশোরী উর্মী ; গ্রেফতার মা-বাবা দুলাভাই। বাগদান সম্পন্ন করলেন টেলর সুইফট পূর্ব সুন্দরবনে দুই হরিণ শিকারি আটক।
জরুরী বিজ্ঞপ্তি
দৈনিক বর্তমান দেশ সংবাদ এ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ৭৮/৪/ সি তৃতীয় তলা, কাজলা ব্রীজ-উত্তর যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। ফোন ০২-২২৩৩৪২১৪১,  মুঠোফোন :  ০১৮১৭-৫৩০৯৫২।

ডিজিটাল কোর্ট করে দেননি কেন? পলককে বিচারকের প্রশ্ন

  • আপডেট এর সময় : সোমবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১১১ বার পঠিত হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে উদ্দেশ্য করে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব প্রশ্ন করেন, ‘বিচার ব্যবস্থা এনালগ করে রেখেছেন, আপনি আইসিটি মন্ত্রী থাকাকালে কেন ডিজিটাল কোর্ট করে দেননি? না হলে আদালতে আসতে হতো না। কারাগারে বসে হাজিরা দিতেন।’

তখন পলক উত্তর দেন, করোনার সময় চালু করেছিলাম। অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল, চেষ্টা করেছি। পরে আর আগানো যায়নি।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামলের ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের জন্য আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর বিচারক এ কথা বলেন।

পলককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন। আবেদনে বলা হয়, আসামি পলক যাত্রাবাড়ী থানার এক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে অন্তরীণ আছেন। তিনি সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা ১ এর মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি। জেলহাজতে অন্তরীণ এজাহারনামীয় এ আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ প্রদান একান্ত প্রয়োজন।

জ্যোতিকে গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ।

আবেদনে বলা হয়, আসামি শাফি মোদ্দাছির খান (জ্যোতি), তার পিতা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল পরস্পর যোগসাজশে ১৯ কোটি ৮৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫০২ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনপূর্বক নিজ ভোগদখলে রাখেন এবং তার নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খুলে নিজ এবং ওই প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাবে মোট ৮৪ কোটি ৭৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৭২ টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর, স্থানান্তরের মাধ্যমে সন্দেহজনক অসংখ্য লেনদেন করেন।

সংবাদটি আপনার সোস্যাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ