আলোর ভিতরে রয়েছে অন্ধকার ভূত
রির্পোটার: ফরহাদ খাঁন আকাশ
ভেজাল ভেজালে যেন অন্ধকারের মধ্যে চলে যাচ্ছে আমার আপনার এই সোনার বাংলাদেশ যে দেশের উন্নতির কথা চিন্তা করে করে ছিল যুদ্ধ এনেছিল স্বাধীনতা কি লাভ হল।
এই স্বাধীনতারে যদি প্রতিনিয়ত থাকে আলোর ভিতরে অন্ধকারের ভূত, জি বলছি রাজধানী পুরান ঢাকার সিদ্দিক বাজার এর কথা।
যেখানে রয়েছে বসবাস করার সকল পণ্য তার ভিতরে অন্যতম হচ্ছে বৈদ্যুতিক তার যার দ্বারা রাতের আধারে কাছে হয় ফুটফুটে আলো এবং সকল প্রকার কাজের নিস্তার।
সেই আলোর মাঝেই যদি অবৈদ্য পন্থায় কেউ তৈরী করে বৈদ্যুতিক তার, জি বলছি সিদ্দিক বাজার ১৮/১ কাজী আব্দুল হামিদ লেন ৫ম তলার, মোঃ আকরাম সাহেবের অবৈদ্য বৈদ্যুতিক তারের কারখানার কথা ছোট একটি ফ্লাট ভাড়া করে তৈরী করছেন ভেজাল তার যেটার নেই কোন গুনগত মান।
এক পর্যায় দৈনিক বর্তমান দেশ সংবাদ একটি চৌকস টিম প্রতিবেদনের জন্য গেলে উঠে আসে সব ভেজাল করে বানানো বৈদ্যতিক ক্যবল রহস্য।
প্রতিবেদন দেখা যায়, ছোট পরিসরের এই জায়গার ৪/৫ জন শ্রমিক সেখানে কাজ করছেন।
চোখ বুঝলে দেখা যায় নেই কোন ল্যাব রুম নেই কোন ক্যামিষ্ট তাহলে এই ক্যবলের মান কিভাবে নিয়ন্ত করছে্
এক পর্যায় কোম্পনী মালিক মোঃ আকরাম সাহেবকে মুঠো ফোন কল দিলে জানা যায়, তার নেই কোন বিএসটিআই অনুমোদন, নেই কোন পরিবেশ ছাড় পএ, নেই কোন কোন ফায়ারের অনুমোদন।
তাহলে কিভাবে চলছে প্রশাসনিক কর্মকতাদের নাকের ডগার উপর দিয়ে এই প্রতিষ্ঠান এক পর্যায় এই বিষয় ক্যবল এসোসিয়সনেরি এর সভাপতি জনাব, নিজাম উদ্দিন সাহেব সাথে মুঠো ফোনে কথা হয় এবং পরে কথা হয় এসোসিয়সনেরি ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব, সাগর সাহেবের সাথে।
তাই সংষ্টট কতৃপক্ষদের কাছে ও দেশবাসীর একটাই চাওয়া অচীরে বন্ধ করা হোক এই ধরনের অবৈধ্য কারখানা যার দ্বারা ক্ষতি হচ্ছে দেশ ও জনগন।