মিয়ানমারে গতকাল শুক্রবারের ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়তেই রয়েছে। এখন পযর্ন্ত নিহতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক জান্তা।
শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শুক্রবারের ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ২ হাজার ৩৭৬ জন। খবর এএফপির।
মিয়ানমারে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর আগে, শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে মিয়ানমারে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল দেশটির উত্তর-পশ্চিমের শহর সাগাইং থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে। এলাকাটি রাজধানী নেপিদো থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তরে।
আঘাত হানা ভূমিকম্পটি কেন্দ্র ছিল অগভীর, যা সাধারণত বেশি ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে থাকে।
এরপর আরও বেশ কয়েকটি আফটার শক অনুভূত হয় আশপাশের অঞ্চলে।
প্রথম ভূমিকম্পটির তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, এর প্রভাব অনুভূত হয় প্রতিবেশী বাংলাদেশ, চীন, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামেও।
ভয়াবহ এই কম্পনে মিয়ানমারের ঐতিহাসিক সাগাইং সেতু ধসে পড়েছে। এছাড়া মান্দালয়, নেপিদো, পিনমানা, অউংবান ও ইনলে অঞ্চলে বেশ কয়েকটি ভবন ভেঙে পড়েছে।
ইয়াঙ্গুন-মান্দালয় এক্সপ্রেসওয়ের ওপর অবস্থিত দোথেতাওয়াদি সেতুও ভেঙে গেছে। এছাড়া ৩৬২ মাইল দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়ের বেশ কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে কিছু রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।