রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা বিএনপির সভাপতির অপসারণ দাবিতে  দুই গুরুপে সংঘর্ষ ও কার্যালয় ভাংচুর বালু ব্যবহার করা, হয়েছে মাটির পরিবর্তে: শরনখোলায় বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙ্গন। সিলেটে আরও ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার নুরের ওপর হামলা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তারেক রহমান। নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামীকাল থেকে খুলছে সুন্দরবনের দ্বার: গজারিয়ায় নতুন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শারমিন আহমেদ (তিথী) যোগদান বোয়ালমারীতে জোর করে জমি লিখে নেয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজার ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার উদ্যোগে ইউ এন ও জরাজীর্ণ অবকাঠামোতেই চলছে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে দুদকের প্রথম মামলা কর্ণফুলী টানেল বহির্ভূত খাতে ৫৮৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ
জরুরী বিজ্ঞপ্তি
দৈনিক বর্তমান দেশ সংবাদ এ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ৭৮/৪/ সি তৃতীয় তলা, কাজলা ব্রীজ-উত্তর যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। ফোন ০২-২২৩৩৪২১৪১,  মুঠোফোন :  ০১৮১৭-৫৩০৯৫২।

মহাসড়কে ছোট বড় খানাখন্দ, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের

  • আপডেট এর সময় : মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫
  • ২৭ বার পঠিত হয়েছে

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) স্টাফ রিপোর্টার মাহাবুব সুলতান

গোপালগঞ্জ-পয়সারহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের কোটালীপাড়া উপজেলা সদরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ভেঙে পড়া সড়ক ও অসংখ্য খানাখন্দে জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে। প্রতিদিন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন শত শত যাত্রী ও পথচারী।

এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন পায়রা বন্দর, মংলা বন্দর এবং বরিশাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করে হাজারো যানবাহন। অথচ সড়কের পশ্চিমপাড় অংশে বড় গর্ত ও ভাঙাচোরা রাস্তায় ভ্যান, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেল উল্টে পড়ে প্রায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। বৃষ্টির সময় এসব গর্তে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে।

স্কুল শিক্ষার্থীরাও ঝুঁকিতে
উপজেলার সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই ভাঙা রাস্তায় যাতায়াত করছে।
কমলকুঁড়ি বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক ইদ্রিসুর রহমান বলেন,
“প্রতিদিন চোখের সামনে একাধিক দুর্ঘটনা দেখি। শিক্ষার্থীদের জন্য এটা খুবই ভয়ংকর। দীর্ঘদিনেও সংস্কার হচ্ছে না।”

ভ্যানচালক জামির মোল্লা বলেন,
“রাস্তায় যতবার চালাই, ততবার ভয়ে থাকি। একেকবার মনে হয়—আজ বুঝি আর ফিরতে পারবো না। দ্রুত মেরামত দরকার।”

স্থানীয় পরিবহন শ্রমিক আলম মিয়া বলেন,

“পশ্চিমপাড় অংশে সড়কের অর্ধেকটাই গর্ত। বর্ষায় এটা আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।”

এ বিষয়ে কোটালীপাড়ার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম বিল্লাহ বলেন,
“সড়ক ও জনপথ বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবে বলে আশ্বস্ত করেছে।”

তবে এ বিষয়ে জানতে গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আজহারুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি আপনার সোস্যাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ